• কনৌজ থেকে হর্ষবর্ধন এসেছিল কিছু আগে। বেলাভূমি ছুঁয়ে যাওয়া নোনতা ঢেউ এর ভিতর কুচি কুচি অনু ঢেউ।...

  • সারাদিন অদ্ভুত রহস্যের ব্যথায় পালিয়ে বেড়াই বহুদিন ধরে গোপনে গোপনে রক্ত আর স্বেদ...

  • মানচিত্র আঁকা পৃথিবীর বেলুন দেখেছি; উঠেছে, বসেছে, চিৎকার করেছে : পরিমাণগত!...

  • আলো আসছে চোখে আলো সুড়ঙ্গ ঘুম ভেঙে.....

  • একটা চায়ের কাপ বিস্কুটের কামড় মেগা সিরিয়াল...

  • তার ঈশ্বর দু-হাতে বৃষ্টি নামালে লঘু দিগন্তে শেষ হয়ে যেত প্রান্তর...

সোমবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০১৯


পাখির ডিমের মত খ্যাতিহীন দুরের ছোট্ট শহরপাখির
ডিমের মতই পড়ে আছেকলকাতার অলিতে গলিতে
আবার দুঃখিত এক জীবন বয়ে বেড়াচ্ছি আমি

(ভাস্কর চক্রবর্তী / এসো সুসংবাদ এসো)

প্রশান্ত সরকারের কলোনি কোলকাতা বইটির মুল সুর ভাস্কর চক্রবর্তীর এই তিনটি লাইনেই বলা হয়ে যায় এই মস্ত বড় শহরটার মধ্যে যে আরও কত কত ছোট ছোট কলকাতা লুকিয়ে আছে বইএর ব্লার্বে লেখাঃ  একটি খুঁটিনাটি শহর যার কোনও জন্মলগ্ন নেইকাটা দাগ নেইযার আলো আছে শুধু আর তার ভেতর খানিকটা আলাপ যা শুধুই অনবরত দুলতে থাকে আর মাথার ভেতরে বুনতে থাকে একটা বোধের সাম্রাজ্য যেমন আত্মীয় স্বজন কবিতাটি
 বাড়ি তো আসলে একটি গাছ
বাবা কখন তার শিকড় হয়ে কতদূর যেন
আমরা দুভাই তার গায়ে গায়েলেগে থাকা
বাকলের মত…”




কিংবা শেষ তিন লাইনে

 বাবা তখনো ছড়িয়ে পড়ছেঝুঁকে পড়ছে
আরও একটু মাটির গোপনে

আর মা একটু নুন খুঁজে মরছেসারাঘর

শেষ লাইনটি লক্ষ্য করুন প্রতিটি বাড়িই তো আসলে একটি গাছপ্রতিটি বাবাই তার রক্ত জল ঘাম দিয়ে  সংসারকে দাঁড় করান যেমন শিকড় মাটি থেকে জল লবণ খাদ্য নিয়ে গাছটিকে বাঁচিয়ে রাখেন কিন্তু শেষ লাইনটি অমোঘ আর মা একটু নুন খুঁজে মরছেসারাঘর এই এক লাইনেই কবিতাটি একটি ভিন্ন উচ্চতায় গিয়ে শেষ হচ্ছে আসলে কবিতাটি শেষ হচ্ছে না কোথাও মায়েরা তো  নুন খুঁজেই চলেছেন সারা জীবন

পরীকথা কবিতায় এসেছে কলকাতার বেশ্যাদের কথাতাদের খিদের কথা কিন্তু এই দুটি লাইন

লিপগ্লসহাইহিলমৃত প্রজাপতি ডুবে গেল
শেষমেশবুকে নিয়ে বিবাহবাসর…”

ওরাও তো মেয়ে ওরাও তো মানুষ ওদেরও তো ইচ্ছে হয় বিবাহবাসরের কিন্তু ওরা যে বেশ্যা ওরা তো আর বাস্তব মানুষী নয়যেন কোনও জাদুগল্পের পরী ওদের কোনও ইচ্ছে থাকতে নেইবিয়ের প্রজাপতি ওদের জন্য মৃত নাকি ওরা নিজেরাই থেঁৎলে মেরে ফেলে সেই সব সুখী সুখী  প্রজাপতিদের?

কবরডাঙা কবিতাটি অদ্ভুত মৃত্যুর অনুষঙ্গ আছে প্রবলভাবেই আছে

অথচ শরীরের কাঠ তখনো নেভেনি
এদিকে কাঠের শরীর জ্বলছে…”

কিন্তু কবিতাটি মৃত্যুর নয় একটা গ্রাম ছিলইস্কুল ছিল সেখানে এখন কি নেইওরা মৃতসেইসব দিনগুলি মৃতবারোমাস যেখানে তারারা জ্বলতআমি কি মৃত নই আজতবু মা চাঁদের কপালে চাঁদ টি দিয়ে যায় এই শেষ লাইনে কবিতাটি কিন্তু প্রবলভাবে বেঁচে থাকার কথা বলে যায়

আসলে প্রশান্তর কবিতায় শেষ লাইনগুলি বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করে

 বাঁশি তো স্বরেরই স্খলন ছাড়া আর কিছু নয়

দুধের দাঁতে শিহরণ কিছুটা তখনও শরীরি 

আরেকটা অদ্ভুত লাইন
 ঠোঁটের গড়ন দেখে বেশ বোঝা যায়
কেউ কেউ এখন অতিথি বৎসল

নাবিক ভরসা দিলে যে কেউ ব্যাপারী

তারপর আলো শেখাবে কেউ মা ডাকের পর

এই লাইনগুলি নিজেরাই একেকটা পৃথক সম্পূর্ণ কবিতা হয়ে যায় না কি?

এই ঘাসএর নীচে কবিতাটি জীবনানন্দ দাশকে উৎসর্গীকৃতপ্রকৃতির কিছু চিত্রকল্প আছে মাটির ওপরে আহত ডাহুকমাটির নীচে পোকাদের তুমুল সহবাস তাদের জন্মের শব্দ কবি মাটিতে কান পেতে শুনছেন ভেতরে হ্রদে জলের শব্দকারা দাঁড় বেয়ে যায় মাটির তলায়

ছা পোষা বাঙ্গালির ঈশ্বরী আসলে কোনও ঈশ্বরী নয় জ্যান্ত মানবী সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের  যা চেয়েছিযা পাব না কবিতাটি মনে পড়ে

 তুমি দেবীইচ্ছে হয় হাঁটু গেড়ে বসি
মাথায় তোমার করতলআশীর্বাদ
তবু সেখানেও শেষ নেই
কবি নয়মুহূর্তে পুরুষ হয়ে উঠি
অস্থির দুহাতে
দশ আঙ্গুল আঁকড়ে ধরতে চায়
সিংহিনীর মত ওই যে তোমার কোমর
অবোধ শিশুর মত মুখ ঘষে তোমার শরীরে
যেন কোনও গুপ্ত সংবাদের জন্য ছটফটানি

 আমার ছাপোষা ঈশ্বরীকে কবিতায় প্রশান্ত একইভাবে সরস্বতীকে রক্তমাংসের মানবীরূপে কল্পনা করেছেন

বেলপাতায় রক্ত ঘষে তিনবার লিখে রাখি নাম
বলো পাপ নেবে না প্লিজ…”

এ কবিতায় কোনও হিপক্রিসি নেই তাঁর স্পষ্ট উচ্চারন

 যতই ঈশ্বরী হওলোভ তো মানুষেরও হয়  এবং এ সহজ স্বীকারোক্তি কবিতাটি পাঠককে পাঠের আনন্দ দেয়

ছোটবেলায় মধ্যবিত্ত পরিবারে বড় হয়ে ওঠা সবাই হাতে বোনা সোয়েটার পরত মায়েরা অবসর পেলেই বসে জেতেন হাতে কুরুশ নিয়ে  ডিসেম্বরের গান কবিতায় এই ছবিটিই কী সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন প্রশান্ত  এ বছর শীত তেমন এল না বলেসোয়েটার উল খুলে খুলেকুরুশকাঁটায় ফোর তুলছে একান্নবর্তী ফোর মানে কি চারচার বছরের জন্মদিনে ফোর লেখা সোয়েটারটি উপহার দেওয়া হবে তাকেএকটি দীর্ঘতম দিনেমানে বড়দিনে?

আসলে প্রশান্তর কবিতায় সংকেতইশারাচিহ্ন এসবের ব্যবহার প্রবল যেন দূরে পাহাড়ের মাথায় একটি কুপি জ্বলছে অনেক নিচ থেকে কেউ সেটি দেখছেবুঝতে পারছে না  কুপিটি নড়ছে কিনাকেউ ধরে আছে কিনাকোনও গৃহীর উঠোনে নাকি কোনও আদিম গুহায়কিন্তু বোঝা যাচ্ছে সেটি জ্বলছে জয় গোস্বামীর একটি কবিতায় আছে

 সংকেত ইশারা চিহ্ন জ্বলে ওঠে কুপ

কি বলে মর্মরঢেউপাতা খসা বন?

মাটিতে সমস্ত রাত উৎকর্ণ শ্রবণ
যদিও সে মাটি স্তব্ধ আদিগন্ত চুপ

প্রশান্ত সরকারের  কলোনি কোলকাতা পড়ে অনেকক্ষণ এভাবে চুপ হয়ে বসে থাকতে হয় স্তব্ধ হয়ে

ওই দেখো মাঠের মধ্যে আগুন ফোয়ারা









পাখির ডিমের মত খ্যাতিহীন দুরের ছোট্ট শহরপাখির
ডিমের মতই পড়ে আছেকলকাতার অলিতে গলিতে
আবার দুঃখিত এক জীবন বয়ে বেড়াচ্ছি আমি

(ভাস্কর চক্রবর্তী / এসো সুসংবাদ এসো)

প্রশান্ত সরকারের কলোনি কোলকাতা বইটির মুল সুর ভাস্কর চক্রবর্তীর এই তিনটি লাইনেই বলা হয়ে যায় এই মস্ত বড় শহরটার মধ্যে যে আরও কত কত ছোট ছোট কলকাতা লুকিয়ে আছে বইএর ব্লার্বে লেখাঃ  একটি খুঁটিনাটি শহর যার কোনও জন্মলগ্ন নেইকাটা দাগ নেইযার আলো আছে শুধু আর তার ভেতর খানিকটা আলাপ যা শুধুই অনবরত দুলতে থাকে আর মাথার ভেতরে বুনতে থাকে একটা বোধের সাম্রাজ্য যেমন আত্মীয় স্বজন কবিতাটি
 বাড়ি তো আসলে একটি গাছ
বাবা কখন তার শিকড় হয়ে কতদূর যেন
আমরা দুভাই তার গায়ে গায়েলেগে থাকা
বাকলের মত…”




কিংবা শেষ তিন লাইনে

 বাবা তখনো ছড়িয়ে পড়ছেঝুঁকে পড়ছে
আরও একটু মাটির গোপনে

আর মা একটু নুন খুঁজে মরছেসারাঘর

শেষ লাইনটি লক্ষ্য করুন প্রতিটি বাড়িই তো আসলে একটি গাছপ্রতিটি বাবাই তার রক্ত জল ঘাম দিয়ে  সংসারকে দাঁড় করান যেমন শিকড় মাটি থেকে জল লবণ খাদ্য নিয়ে গাছটিকে বাঁচিয়ে রাখেন কিন্তু শেষ লাইনটি অমোঘ আর মা একটু নুন খুঁজে মরছেসারাঘর এই এক লাইনেই কবিতাটি একটি ভিন্ন উচ্চতায় গিয়ে শেষ হচ্ছে আসলে কবিতাটি শেষ হচ্ছে না কোথাও মায়েরা তো  নুন খুঁজেই চলেছেন সারা জীবন

পরীকথা কবিতায় এসেছে কলকাতার বেশ্যাদের কথাতাদের খিদের কথা কিন্তু এই দুটি লাইন

লিপগ্লসহাইহিলমৃত প্রজাপতি ডুবে গেল
শেষমেশবুকে নিয়ে বিবাহবাসর…”

ওরাও তো মেয়ে ওরাও তো মানুষ ওদেরও তো ইচ্ছে হয় বিবাহবাসরের কিন্তু ওরা যে বেশ্যা ওরা তো আর বাস্তব মানুষী নয়যেন কোনও জাদুগল্পের পরী ওদের কোনও ইচ্ছে থাকতে নেইবিয়ের প্রজাপতি ওদের জন্য মৃত নাকি ওরা নিজেরাই থেঁৎলে মেরে ফেলে সেই সব সুখী সুখী প্রজাপতিদের?

কবরডাঙা কবিতাটি অদ্ভুত মৃত্যুর অনুষঙ্গ আছে প্রবলভাবেই আছে

অথচ শরীরের কাঠ তখনো নেভেনি
এদিকে কাঠের শরীর জ্বলছে…”

কিন্তু কবিতাটি মৃত্যুর নয় একটা গ্রাম ছিলইস্কুল ছিল সেখানে এখন কি নেইওরা মৃতসেইসব দিনগুলি মৃতবারোমাস যেখানে তারারা জ্বলতআমি কি মৃত নই আজতবু মা চাঁদের কপালে চাঁদ টি দিয়ে যায় এই শেষ লাইনে কবিতাটি কিন্তু প্রবলভাবে বেঁচে থাকার কথা বলে যায়

আসলে প্রশান্তর কবিতায় শেষ লাইনগুলি বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করে

 বাঁশি তো স্বরেরই স্খলন ছাড়া আর কিছু নয়

দুধের দাঁতে শিহরণ কিছুটা তখনও শরীরি 

আরেকটা অদ্ভুত লাইন
 ঠোঁটের গড়ন দেখে বেশ বোঝা যায়
কেউ কেউ এখন অতিথি বৎসল

নাবিক ভরসা দিলে যে কেউ ব্যাপারী

তারপর আলো শেখাবে কেউ মা ডাকের পর

এই লাইনগুলি নিজেরাই একেকটা পৃথক সম্পূর্ণ কবিতা হয়ে যায় না কি?

এই ঘাসএর নীচে কবিতাটি জীবনানন্দ দাশকে উৎসর্গীকৃতপ্রকৃতির কিছু চিত্রকল্প আছে মাটির ওপরে আহত ডাহুকমাটির নীচে পোকাদের তুমুল সহবাস তাদের জন্মের শব্দ কবি মাটিতে কান পেতে শুনছেন ভেতরে হ্রদে জলের শব্দকারা দাঁড় বেয়ে যায় মাটির তলায়

ছা পোষা বাঙ্গালির ঈশ্বরী আসলে কোনও ঈশ্বরী নয় জ্যান্ত মানবী সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের  যা চেয়েছিযা পাব না কবিতাটি মনে পড়ে

 তুমি দেবীইচ্ছে হয় হাঁটু গেড়ে বসি
মাথায় তোমার করতলআশীর্বাদ
তবু সেখানেও শেষ নেই
কবি নয়মুহূর্তে পুরুষ হয়ে উঠি
অস্থির দুহাতে
দশ আঙ্গুল আঁকড়ে ধরতে চায়
সিংহিনীর মত ওই যে তোমার কোমর
অবোধ শিশুর মত মুখ ঘষে তোমার শরীরে
যেন কোনও গুপ্ত সংবাদের জন্য ছটফটানি

 আমার ছাপোষা ঈশ্বরীকে কবিতায় প্রশান্ত একইভাবে সরস্বতীকে রক্তমাংসের মানবীরূপে কল্পনা করেছেন

বেলপাতায় রক্ত ঘষে তিনবার লিখে রাখি নাম
বলো পাপ নেবে না প্লিজ…”

এ কবিতায় কোনও হিপক্রিসি নেই তাঁর স্পষ্ট উচ্চারণ

 যতই ঈশ্বরী হওলোভ তো মানুষেরও হয়  এবং এ সহজ স্বীকারোক্তি কবিতাটি পাঠককে পাঠের আনন্দ দেয়

ছোটবেলায় মধ্যবিত্ত পরিবারে বড় হয়ে ওঠা সবাই হাতে বোনা সোয়েটার পরত মায়েরা অবসর পেলেই বসে জেতেন হাতে কুরুশ নিয়ে  ডিসেম্বরের গান কবিতায় এই ছবিটিই কী সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন প্রশান্ত  এ বছর শীত তেমন এল না বলেসোয়েটার উল খুলে খুলেকুরুশকাঁটায় ফোর তুলছে একান্নবর্তী ফোর মানে কি চারচার বছরের জন্মদিনে ফোর লেখা সোয়েটারটি উপহার দেওয়া হবে তাকেএকটি দীর্ঘতম দিনেমানে বড়দিনে?

আসলে প্রশান্তর কবিতায় সংকেতইশারাচিহ্ন এসবের ব্যবহার প্রবল যেন দূরে পাহাড়ের মাথায় একটি কুপি জ্বলছে অনেক নিচ থেকে কেউ সেটি দেখছেবুঝতে পারছে না  কুপিটি নড়ছে কিনাকেউ ধরে আছে কিনাকোনও গৃহীর উঠোনে নাকি কোনও আদিম গুহায়কিন্তু বোঝা যাচ্ছে সেটি জ্বলছে জয় গোস্বামীর একটি কবিতায় আছে

 সংকেত ইশারা চিহ্ন জ্বলে ওঠে কুপ

কি বলে মর্মরঢেউপাতা খসা বন?

মাটিতে সমস্ত রাত উৎকর্ণ শ্রবণ
যদিও সে মাটি স্তব্ধ আদিগন্ত চুপ

প্রশান্ত সরকারের  কলোনি কোলকাতা পড়ে অনেকক্ষণ এভাবে চুপ হয়ে বসে থাকতে হয় স্তব্ধ হয়ে

ওই দেখো মাঠের মধ্যে আগুন ফোয়ারা








অনুসন্ধান

    কবিতা সংকলন ২০১৫

    কবিতা সংকলন ২০১৫

    যোগাযোগ

    ফেরারিতে আপনার অপ্রকাশিত কবিতা, গল্প পাঠাতে ই-মেল করুন ferarifacebook@gmail.com এ। লেখা যে কোনো ইউনিকোড এ লিখে ওয়ার্ড ফাইলটি পাঠান। লেখা মনোনীত হলে প্রকাশিত হবে ৭-১০ দিনের মধ্যে।

    লিখেছেন

    বিভাস রায় চৌধুরী, বিকাশ সরকার, রেহান কৌশিক, অভিমন্যু মাহাত,ঋজুরেখ চক্রবর্তী, অনিন্দ্য রায়, অনুপম মুখোপাধ্যায়, অয়ন বন্দ্যোপাধ্যায়, সৌভিক বন্দ্যোপাধ্যায়, দেবায়ুধ চট্টোপাধ্যায়, বিদিশা সরকার, ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়, ঈশিতা ভাদুড়ী, সুবীর বোস,দয়াময় পোদ্দার, প্রত্যুষ বন্দ্যোপাধ্যায়, শৈলেন সাহ, প্রনব বসু রায়, মাহমুদ টোকন, ইন্দ্রনীল সেনগুপ্ত, কিরীটী সেনগুপ্ত, চন্দনকৃষ্ণ পাল,তাপসকিরণ রায়, দন্ত্যন ইসলাম, শর্মিষ্ঠা ঘোষ, সেলিম উদ্দিন মণ্ডল, সোমনাথ প্রধান,নবকুমার পোদ্দার,পিনাকী ঘোষ, দেবাশিষ মুখোপাধ্যায়, কিশোর ঘোষ,জুবিন ঘোষ, পলাশ দে,রঙ্গীত মিত্র, উল্কা, স্রোতস্বনী চট্টোপাধ্যায়, পবিত্র আচার্য্য, অবিন সেন, শান্তনু দে,শাঁউলি দে, অমিত ত্রিবেদী, শূদ্রক উপাধ্যায়, সৈকত ঘোষ, বাপ্পাদিত্য মুখোপাধ্যায়, মাহদী হাসান, সুমন্ত চট্টোপাধ্যায়,অনির্বাণ ভট্টাচার্য, আকাশ গঙ্গোপাধ্যায়,সুদীপ চট্টোপাধ্যায়, সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় ও আরও অনেকে।

    ফেসবুক পাতা

    ফেরারি কথা

    ফেসবুক পত্রিকা দিয়ে ২০১৩ তে আমাদের যাত্রা শুরু। শ্রদ্ধেয় কবি প্রাবন্ধিক, সাহিত্যিক ও হাংরি জেনেরেশন এর অন্যতম শ্রী মলয় রায়চৌধুরি তাঁর অনলাইন বার্তায় পত্রিকার শুভ সূচনা করেন। তারপর ডিজি ম্যাগ,অবশেষে এই ব্লগজিন।২০১৫ কলকাতা বইমেলায় প্রকাশিত হয়েছে ফেরারির প্রথম মুদ্রিত কবিতা সংকলন। প্রতিষ্ঠিত লেখকদের ভিড়ে সম্ভাবনাময় লেখক লেখিকাদের তুলে ধরতে যেভাবে লিটিল ম্যাগাজিন কিম্বা বহুল প্রচলিত পত্রিকাগুলি হিমসিম খাচ্ছে তাতে বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তি অনেকটাই আশা জুগিয়েছে ।মূলত নতুন লেখকদের একটা জায়গা দিতেই ফেরারির এই উদ্যোগ। তাদের উৎসাহ যোগাতে লিখবেন সাম্প্রতিক কালের প্রতিষ্ঠিত লেখক লেখিকাও। এভাবেই খুলে যাবে বাংলা সাহিত্য চর্চার এক নতুন দিগন্ত। প্রবীণ থেকে নবীনে বয়ে যাবে বাংলা সাহিত্যের ধারা। মননশীল পাঠকের সুচিন্তিত মতামত ও প্রতিষ্ঠিত লেখকের অনুপ্রেরণা নবীন লেখক লেখিকাকে সাহায্য করবে আগামী দিনের বাংলা সাহিত্যের ধারক ও বাহক হয়ে উঠতে।

    উপদেষ্টা মণ্ডলী - পিনাকী প্রসাদ চক্রবর্তী,
    অনুপম মুখোপাধ্যায়, অনিন্দ রায়।

    অলঙ্করণ- মৌমিতা ভট্টাচার্য, নচিকেতা মাহাত, চিন্ময় মুখোপাধ্যায়, শ্রীমহাদেব, সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সম্পাদক- সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়



    Back to Top